১৪.৬.১৮

BHBFC Quarterly Bulletin গৃহঋণ বার্তাঃ বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের ত্রৈমাসিক বুলেটিন

বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের ত্রৈমাসিক বুলেটিনঃ গৃহঋণ বার্তা। প্রতি তিন মাস অন্তর প্রকাশিত কর্পোরেশনের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের দর্পণ স্বরূপ। প্রকাশিত সকল গৃহঋণ বার্তার এই সংগ্রহশালায় আপনাকে স্বাগতম।

২০১৮ পঞ্জিকাবর্ষঃ
অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৮ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 
জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
এপ্রিল-জুন ২০১৮ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
জানুয়ারি-মার্চ ২০১৮ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'

 
পুরনো সংখ্যা

২০১৭ পঞ্জিকাবর্ষঃ
অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৭ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৭ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 
এপ্রিল-জুন ২০১৭ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
জানুয়ারি-মার্চ ২০১৭ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'

২০১৬ পঞ্জিকাবর্ষঃ

জানুয়ারি-মার্চ ২০১৬ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
এপ্রিল-জুন ২০১৬ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'  
জুলাই- সেপ্টেস্বর ২০১৬ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৬ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 

২০১৫ পঞ্জিকাবর্ষঃ
জানুয়ারি-মার্চ ২০১৫ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
এপ্রিল-জুন ২০১৫ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 
জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৫ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 
অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৫ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'

২০১৪ পঞ্জিকাবর্ষঃ 
জানুয়ারি-মার্চ ২০১৪ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
এপ্রিল-জুন ২০১৪ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 
জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৪ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৪ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 


২০১৩ পঞ্জিকাবর্ষঃ
জানুয়ারি-মার্চ ২০১৩ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
এপ্রিল-জুন ২০১৩ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৩ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 
অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১৩ সংখ্যা ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা' 

২০১২ পঞ্জিকাবর্ষঃ
অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১২ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১২ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'  
এপ্রিল-জুন ২০১২ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'
জানুয়ারি-মার্চ ২০১২ ত্রৈমাসিক বুলেটিন 'গৃহঋণ বার্তা'  

২৪.৫.১৮

কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের ই-নথি (E-file) বাস্তবায়ন' শীর্ষক প্রশিক্ষণ

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও বাস্তবায়নে সরকারী প্রতিষ্ঠানের সেবাসমূহ জনগণের দোরগোড়ায় অধিকতর দ্রুত সময়ে পৌঁছে দিতে এবং প্রতিষ্ঠানের নথি প্রক্রিয়াজাত/চলাচল সহজিকরণে ই-ফাইলিং প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম। কর্মক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চতকরণে আবশ্যিকভাবে ই-ফাইলিং প্রবর্তনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সুষ্পষ্ট নির্দেশনাও রয়েছে, যা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)-এর অন্তর্ভূক্ত। এরই ধারাবাহিকতায়, কর্পোরেশনের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার হতে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পর্যন্ত মোট ১৮ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের সমন্বয়ে ‘ই-নথি (ই-ফাইলিং) বাস্তবায়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ (২য় ব্যাচ) শুরু হয়। ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-এর আয়োজনে  ও আইসিটি(অপারেশন) বিভাগের সহযোগিতায় এবং একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এর সহযোগীতায় কোর্সটি আগামী ২৬-২৭ মে ২০১৮ তারিখ অনুষ্ঠিত হয়।
ই-ফাইল (ই-নথি) সিস্টেমে লগইন ও ফাইল ব্যবস্থাপনা, নাগরিক কর্ণার বিষয়ে ধারণা, ডাক আপলোড (নাগরিক/ দাপ্তরিক), আবেদন ট্র্যাকিং, রশিদ প্রিন্ট, নিবন্ধন বহি, খসড়া ডাক সংরক্ষণ, ডাক ফরোয়ার্ড করা, ডাক ট্র্যাকিং, প্রেরিত ডাক দেখা, ডাক নিষ্পত্তি করা, ই-ফাইল (ই-নথি) সিস্টেমে নথি তৈরি, (নথির ধরণ তৈরি, নথিতে পারমিশন দেওয়া), ডাক নথিতে পেশ করা, অনুচ্ছেদ লেখা, পরবর্তী প্রাপককে পাঠানো, প্রেরিত নথি দেখা, নথিতে সিদ্ধান্ত দেওয়া, ডাক নথিজাত করা, নথিজাত করা ডাক দেখা, নোটশীটে বিভিন্ন ধরনের (পূর্বের পত্র, আইন-কানুন, বিধি-বিধান ইত্যাদি) সংযুক্তি প্রদান, খসড়া পত্র তৈরি, পত্রের ভার্সন, পত্র সম্পাদনা ও পত্রজারীকরণ ইত্যাদি নানাবিধ বিষয় নিয়ে ‘ই-নথি (ই-ফাইলিং) ইত্যাদি সার্বিক বিষয়ে ডিজিটাল নথি বাস্তবায়নে এই প্রশিক্ষণ ভূমিকা রাখবে।
উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (মাঝে) ড. দৌলতুন্নাহার খানম বলেন, পুরনো মান্ধাতার ফাইল, চিঠিপত্র ফেলে আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে অনলাইন ফাইল, অনলাইন চিঠিপত্রে কার্যক্রম শুরু করতে হবে। বর্তমানে সরকারের পেপারলেস ব্যাংকিং এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানের সেবাসমূহ অনলাইনভিত্তিক ও যুগোপযুগি করার পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হবে।
 
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ
পরবর্তীতে ০৬-০৭ জুন,২০১৮  অফিসার-প্রিন্সিপাল অফিসার পর্যায়ে ১৮জন কর্মকর্তাকে নিয়ে ৩য় ব্যাচে 'ই-নথি বাস্তবায়ন' প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী।
ড. দৌলতুন্নাহার খানম(উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক), ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী(মাঝে), অরুন কুমার চৌধুরী(মহাব্যবস্থাপক)

ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, "বিএইচবিএফসিকে ডিজিটালাইজেশনের অভিমুখে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের আপ্রাণ চেষ্টা রয়েছে। আমরা বিএইচবিএফসিকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে পরিশীলীত করতে চাই। সরকারের ভিশন ও মিশন বাস্তবায়নে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার রোধে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গ্রীন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠায় হাউস বিল্ডিং এগিয়ে যাবে। ডাটা সেন্টার স্থাপনের কাজ সমাপ্ত হলে আমরা ক্লাউড ভিত্তিক অপারেশনে সংযুক্ত হবো। ই-হোম লোন, ফিনটেক, আর্টিফিসিয়াল হেল্পডেস্ক ইত্যাদি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত ভাবে বিএইচবিএফসিকে ডিজিটাল প্যারামাউন্টে পৌঁছে দেবে। 'ই-নথি'কে একটা প্রাথমিক ধাপ বলা যেতে পারে। এই ট্রেনিং থেকে আপনাদের অর্জিত জ্ঞান অন্য প্রযুক্তির ব্যবহারেও কাজে লাগবে বলে আমি আশাবাদী।" তিনি 'ই-নথি বাস্তবায়ন' শীর্ষক প্রশিক্ষণের সহায়িকা গাইডলাইন ও ভিডিও টিউটোরিয়াল বিভিন্ন মাধ্যমে আপলোড করে প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সহজলভ্য করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
ই-নথি(ই-ফাইল) বাস্তবায়নে ইউজার সহায়িকা গাইডঃ 

ভিডিও টিউটোরিয়াল

নথি ১ - নথি সিস্টেমে লগইন ও পরিচিতিঃ


নথি ২ - প্রোফাইল এডিট করাঃ

নথি ৩ - সিস্টেমে ডাক আপলোড করাঃ


নথি ৪ - আগত ডাক দেখা ও সিদ্ধান্ত দেয়াঃ


নথি ৫ - ডাক নথিতে উপস্থাপনঃ

নথি ৬ - আগত নথি দেখা ও সিদ্ধান্ত দেয়াঃ

নথি ৭ - খসড়াপত্র তৈরি ও প্রেরণঃ

নথি ৮ - খসড়াপত্র অনুমোদন ও পত্রজারির জন্য প্রেরণঃ



নথি ৯ - নথি সিস্টেমে পত্রজারি ও প্রেরণঃ


নথি ১০ - নোট নিষ্পত্তিঃ


 

৬.৫.১৮

কর্পোরেশনের পরিচালনা পর্ষদ এর চেয়ারম্যান

 
ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন (চেয়ারম্যান, বিএইচবিএফসি)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ হতে সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রথিতযশা হিসাব বিজ্ঞানী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন; এফসিএ, এফসিএমএ-কে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন এর পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করায় ১৮/৩/২০১৮ খ্রি. তারিখে কর্পোরেশনে যোগদান করেন। বিএইচবিএফসিতে যোগদানের পূর্বে ড. সেলিম রূপালী ব্যাংক লিঃ এ পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি রূপালী ইনভেস্টমেন্ট লিঃ, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিঃ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক ছিলেন।   

ড. সেলিম চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগ হতে ১ম শ্রেনীতে প্রথম স্থানসহ মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জনের পর একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং বিভাগে যোগদান করেন। ড. সেলিম আইসিএমএবি হতে সিএমএ; আইসিএবি হতে সিএ; ইউনিভার্সিটি অব ব্রাসেলস, বেলজিয়াম হতে এমবিএ; আইসিএইডবিøউ, ইউকে হতে সিআইএফআরএস; সিআইপিএফএ, ইউকে হতে পিএফএ এবং ইউনিভার্সিটি অব চিটাগাং হতে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি একজন সনদপ্রাপ্ত হিসাব বিজ্ঞানী হিসেবে একাধারে আইসিএবি, আইসিএমএ এবং সিআইপিএফএ, ইউকে এর ফেলো সদস্য। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর ৬০ এর অধিক প্রকাশিত প্রবন্ধ রয়েছে। এছাড়া তিনি কর্মজীবনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনসহ দেশে বিদেশে বিভিন্ন সভা সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।   
 সূত্রঃ www.bhbfc.gov.bd

২২.৩.১৮

Asset Liability Committee (ALCo) এর কার্যক্রম জোরদার করতে হবেঃ দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী (ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিএইচবিএফসি)



দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী(ব্যবস্থাপনা পরিচালক)  

Asset Liability Committee(Alco)-এর কার্যক্রমকে জোরদান করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের(বিএইচবিএফসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এমডি) দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী। দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট ও উত্তরণ বিষয়ে কথা বলার সময় তিনি একথা বলেন।


বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে ভয়াবহ তারল্য সংকট চলছে। এতে কিছু কিছু ব্যাংক তাদের স্বাভাবিক ব্যাংকিং কর্মকান্ড চালাতে হিমশিম খাচ্ছে এবং কলমানির দ্বারস্থ হচ্ছে। অনেকেই আবার নতুন ঋণ বিতরণ বন্ধ রেখেছে। চলমান বিভিন্ন প্রকল্পে ঋণ বিতরণও করতে পারছেন না কেউ কেউ। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মে ঋণ ও আমানত রেশিও (এডিআর) সমন্বয়, ডলার বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা, ফারমার্স ব্যাংক-কান্ডে সৃষ্ট আস্থাহীনতায় বেসরকারী ব্যাংক থেকে সরকারী আমানত তুলে নেওয়া ও ব্যাসেল-৩ আওতায় বাড়তি মূলধন সংরক্ষণ করতে গিয়ে অধিকাংশ ব্যাংকে এ সংকট তৈরি হয়েছে। এতে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 


এ সংকট থেকে উত্তরণে বিএইচবিএফসি’র এমডি দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী বলেন, মুদ্রাবাজারে তারল্য সংকটে সুদহার বেড়েছে। এটি চাহিদার উপর নির্ভর করে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সুদের হার বেড়েছে। তবে এসমস্যা সাময়িক। তিনি বলেন, সদ্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণসীমা কমিয়ে দিয়েছে। ফলে সবাই ডিপোজিটের পেছনে ছুটছেন। সংকট থেকে উত্তরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে এডি রেশিও সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। 


এছাড়া ব্যাংকগুলোকে মনিটরিংয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর উদ্যোগ না নিয়ে আগে থেকে মনিটরিং প্রয়োজন। এজন্য Asset Liability Committee(ALCo)-এর কার্যক্রমকে জোরদার করতে হবে। ব্যাংকগুলোর আগ্রাসী ব্যাংকিং থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আমানত সংগ্রহ না করে ঋণ বিতরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। আর ব্যাংকিং খাতে যেসব অব্যবস্থাপনা আছে তার দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি আমানত থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন না করারও পরামর্শ দেন তিনি। তিনি মনে করেন, ফান্ড অনুসারে বিতরণ করা দরকার।