১৮.৭.১৮

স্বচ্ছতা বজায় রাখা গেলে বাজেট বাস্তবায়ন সহজ হবেঃ অধ্যাপক ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন

অধ্যাপক ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন, চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ, বিএইচবিএফসি

 কোনো ধরনের তাৎপর্যপূর্ণ নতুন কর আরোপ ছাড়াই নির্বাচনমুখী বিশাল, বৃহৎ এবং উচ্চাভিলাষী বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে আগামী ছয় মাসে উন্নয়ন অনুন্নয়ন ব্যয়ের কমপক্ষে ৩৫ শতাংশ সঠিক অর্থে মানসম্মতভাবে বাস্তবায়ন হলে সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি, অবকাঠামো ঘাটতি হ্রাস এবং দারিদ্র্যবান্ধব, অন্তর্ভুক্তিমূলক বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বিধানমূলক ব্যয় ইত্যাদির মাধ্যমে প্রস্তাবিত বাজেট সার্বিক জনকল্যাণে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে মোদ্দাকথা, প্রস্তাবিত বাজেটের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করবে সারা বছরের আর্থিক কর্মকাণ্ডগুলো মাসিক কিংবা ত্রৈমাসিকের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে গুণগত পরিমাণগত বৈশিষ্ট্যের আলোকে মানসম্মত বাস্তবায়নের ওপর কেননা বিগত বছরগুলোয় বাজেট অবাস্তবায়নের হার প্রায় ১০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০ শতাংশে পৌঁছেছে  


গত দুই বছর চলতি বছরে জিডিপি যথাক্রমে দশমিক ১১, দশমিক ২৪ দশমিক ৬৫ অর্জন এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার আলোকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা দশমিক শতাংশ ধরা হয়েছে। বাজেট ২০১৮-১৯- মোট ব্যয় প্রাক্কলন হয়েছে লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা, যেটি সংশোধিত ২০১৭-১৮ থেকে ৯৩ হাজার ৭৮ কোটি টাকা বা ২৫ শতাংশ বেশি। প্রস্তাবিত বাজেট ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫৪ হাজার ৬৭ কোটি টাকা বা ৪৩ শতাংশ বৈদেশিক উৎস এবং ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা বা ৫৭ শতাংশ অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশোধিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি লাখ ১২ হাজার ৪১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টাকার পরিমাণের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধির পরিমাণ ১৩ হাজার ২৫২ কোটি টাকা বা ১২ শতাংশ বেশি। বাজেটে প্রস্তাবিত ব্যয়ের প্রবৃদ্ধির চেয়ে রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধির শতাংশ অনেক বেশি, যেটি কাম্য নয়। এছাড়া গত কয়েক বছরের বাজেট প্রকৃত অর্জন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রাক্কলিত রাজস্ব আহরণে এবং প্রস্তাবিত ঘাটতি অর্থায়নে ব্যর্থতার কারণে বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট ব্যয় ৫৬ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা বা বাজেটের ১৯ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়নি। যেখানে ৩৫ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা বা ১৭ শতাংশ রাজস্ব আহরণে এবং ২১ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা বা ২৪ শতাংশ ঘাটতি অর্থায়ন করতে সমর্থ হয়নি। উল্লেখ্য, ২১ হাজার ১৭৭ কোটি টাকার ঘাটতি অর্থায়নের মধ্যে ১৫ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা বা ৫১ শতাংশ বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়নে ব্যর্থ হয়। এজন্য রাজস্ব আহরণ ঘাটতি অর্থায়নে বিশেষ করে বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়নে সাফল্য দেখাতে না পারলে প্রস্তাবিত বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়ন কঠিন হবে। নির্বাচনী বছর হওয়ায় সমস্যা আরো ঘনীভূত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কলাকৌশলসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা অতীতের যেকোনো সময় থেকে বেশি নিতে হবে



প্রস্তাবিত বাজেটে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বিধানমূলক কর্মসূচি, কর সহনীয়করণসহ প্রবৃদ্ধি সঞ্চারী মেগা প্রকল্পগুলো এবং স্থবির বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির নানা কলাকৌশল অগ্রাধিকার পেয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভাবনা, জনগণের প্রত্যাশা, ভোগ চাহিদার ক্রমোন্নতি, বর্তমান অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচকের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণসাপেক্ষে বলা যায়, আকার রক্ষণশীল না হওয়াই ভালো। বড় আকারের বাজেটে অনেকে মনে করেন, অর্থের অপচয় অপব্যবহার হওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই আমি বলব, অর্থ বরাদ্দে উদারতা থাকা ভালো এবং অনেক সময় সফলতা আসে, তবে অর্থ ব্যবহারে যথেষ্ট সতর্ক থাকা এবং অর্থ অপব্যবহার বা অপচয় রোধকল্পে সচেতনতাসহ কঠোরতা অবলম্বন করলে নির্বাচনী বছরের বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব। তবে জুলাই ২০১৮ থেকে এর বাস্তবায়নে সব পক্ষকে আগ্রহসহকারে অংশগ্রহণ করতে হবে। বাজেটের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাস্তবায়নে বাজেট বক্তৃতায় সুনির্দিষ্ট অনেক প্রস্তাবনা এসেছে। প্রস্তাবনাগুলো সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হলে এই বিশাল আকারের বাজেট বাস্তবে প্রতিফলিত করা সম্ভব। প্রস্তাবনার মধ্যে দক্ষ জনবল সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের যাতায়াতের বিশেষ সুবিধা, সঞ্চয়পত্র ব্যবস্থাপনায় বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন, নারী উদ্যোক্তা নারী উন্নয়নে বরাদ্দ, পল্লী উন্নয়নে বরাদ্দ, সহনীয় বিনিয়োগ উৎসাহসহ ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপের ব্যাপারে চলমান নীতি জোরদারকরণ, প্রকল্প বাস্তবায়নের দুর্বলতা স্বীকার এবং ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ, কাঠামো রূপান্তরে বৃহৎ প্রকল্প অবকাঠামো নির্মাণে অনমনীয়তা ইত্যাদি বিষয় বাজেটের বলিষ্ঠ দিক

উল্লেখ্য, মোট ব্যয় লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার মধ্যে সামাজিক অবকাঠামো খাতে লাখ ২৭ হাজার ১৯ কোটি টাকা (২৭.৩৪ শতাংশ), ভৌত অবকাঠামোয় লাখ ৪৩ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা (৩১ শতাংশ), সাধারণ সেবা লাখ ১৭ হাজার ৫৪২ (২৫.৩০ শতাংশ) কোটি টাকা এবং সুদ পরিশোধ খাতে ৫১ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা (১১.০৫ শতাংশ) বরাদ্দ হয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, শিক্ষা প্রযুক্তি খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যেটি মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া স্বাস্থ্য, কৃষি, স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, যোগাযোগ ইত্যাদি খাতকে গত কয়েক বছরের মতো অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় শিল্পের সংরক্ষণ এবং রফতানি খাতকে প্রণোদনা দেয়ার চেষ্টা রাজস্ব আদায়ে বিভিন্ন উদ্যোগসহ দেশের সার্বিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দিকগুলোকে বাজেটে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ব্যক্তি সরকারি খাতে অব্যাহত বিনিয়োগ প্রসঙ্গ বাজেটে গুরুত্ব পেয়েছে, যেটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, খাদ্যনিরাপত্তা, পল্লী উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন আর্থিক খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে

উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য বর্তমান বিনিয়োগ যথেষ্ট নয়। সক্ষমতার অভাবে এডিপি বাস্তবায়ন পুরোপুরি না হওয়ায় সরকারি বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে না। আবার বছর বছর সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। অর্থবছরের শেষ তিন মাসে বা শেষ প্রান্তিকে অত্যধিক ব্যয়প্রবণতার কারণে সরকারি অর্থের অপচয়, কাজে নিম্নমান গুণগত মান হ্রাস, স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। অন্যদিকে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগ কয়েক বছর ধরে ২২-২৩ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধির জন্য হার জিডিপির ২৬-২৭ শতাংশে উন্নীত করা দরকার। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বিশেষ করে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ আগামী অর্থবছরে উচ্চসুদের হার, বিনিময় হার, চলমান তারল্য সংকট, খেলাপি ঋণ সংকট, মূল্যস্ফীতির হার, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগকারীর আস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলসহ পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা ইত্যাদি কারণে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নে অন্যান্য চ্যালেঞ্জের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার রাজস্ব আহরণ, অবকাঠামোগত ঘাটতি, সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার ঠিক করা, ঘাটতি বাজেটের অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থপ্রাপ্তির অনিশ্চয়তা, ব্যক্তিখাতে ঋণপ্রবাহের প্রতিবন্ধকগুলো, রফতানি বৈচিত্র্যকরণ, রফতানির প্রবৃদ্ধির তুলনায় আমদানি প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিক বৃদ্ধি, কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সঞ্চয় বিনিয়োগ তারতম্য ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। উল্লিখিত চ্যালেঞ্জের পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ব্যয় আধিক্য এবং বাস্তবায়ন সময়োত্তীর্ণের সঠিক ঝুঁকি নির্ণয়, মাসিক ভিত্তিতে প্রকল্প রেজাল্ট  মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকা  দরকার। ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বৈদেশিক সূত্র থেকে ঝামেলামুক্ত ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত, সুদের হার, বিনিময় হার, মূল্যস্ফীতির হার, আস্থার উন্নতি, বিদ্যুৎ জ্বালানি, পরিবহন যোগাযোগ ইত্যাদি চলমান কার্যক্রমের সুষ্ঠু সমাপ্তসহ এসব বিষয়ের ওপর জোর নজরদারি, তদারকি এবং স্থিতিশীলতা অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া বাজেটকে সঠিক বাস্তবায়নে সক্ষমতা, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের স্বচ্ছ রোডম্যাপ, রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা, প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত পরিবর্তন ইত্যাদি বিবেচনায় নিলে বাজেট বাস্তবায়নের অনেক  চ্যালেঞ্জ বা প্রতিবন্ধক দূর হবে

দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসা ব্যয় হ্রাস, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বাজেটে সামাজিক ভৌত অবকাঠামো খাতে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে ব্যয়ের গুণগত মান, বাস্তবায়ন সময়, মোট প্রকল্প ব্যয় ইত্যাদির ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করে সঠিক ব্যয়ে, সঠিক সময়ে এবং সঠিক গুণে মানে প্রকল্পকার্য সমাপ্তের জন্য সঠিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এক দেশ বা অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত না করে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমসুযোগ প্রদান করলে প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু ঝুঁকি হ্রাস করা যায়। চলমান বৃহৎ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের হার সময় সময় গণমাধ্যমের মারফতে জনসমক্ষে প্রচারের ব্যবস্থা থাকা উচিত। যেমনবাংলাদেশ দৈনিক কতটুকু বা কত কিলোমিটার রাস্তা সম-এককে তৈরি হচ্ছে, দৈনিক কত কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে (সম-এককে) ইত্যাদি প্রকাশ করার জন্য সুপারিশ করছি। সামাজিক ভৌত অবকাঠামোর কারণে সুফলগুলো সুস্পষ্ট করা উচিত। বাজেটে প্রবৃদ্ধি সঞ্চারী বৃহৎ ভৌত সামাজিক অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো এবং স্থবির বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির নানা কলাকৌশল অগ্রাধিকার পেয়েছে

ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দশমিক শতাংশ করহার হ্রাস, গ্রিন তথা পরিবেশবান্ধব ব্যবসা শিল্পায়নে কর ছাড়, স্থানীয় শিল্পায়নে তথা ইলেকট্রনিকস শিল্পের উন্নয়নে গৃহীত কর ছাড়ের পদক্ষেপগুলো বাজেটের ইতিবাচক দিক। তবে স্থানীয় ঋণপত্রের ওপর শতাংশ এবং পরিবেশক অর্থায়নে শতাংশ উৎসে কর কর্তন ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। তাছাড়া একক ব্যক্তির করসীমা কমপক্ষে লাখ টাকা এবং নন-পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানির করহার দশমিক শতাংশ হ্রাস করার সুপারিশ জানাচ্ছি

  

লেখক: অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন নির্বাহী কমিটি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
সূত্রঃ বণিকবার্তা